খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১৯ আশ্বিন, ১৪৩৩

ডিজিটাল হচ্ছে বিয়ে-তালাক নিবন্ধন, কমবে গোপন বিয়ে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ডিজিটাল হচ্ছে বিয়ে-তালাক নিবন্ধন, কমবে গোপন বিয়ে

যোগফল প্রতিবেদক: 

দেশের বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থা ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এর মাধ্যমে তথ্য গোপন করে একাধিক বিয়ে এবং বাল্যবিবাহের প্রবণতা রোধে সহায়তা পাওয়া যাবে বলে জানান তিনি।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর নিকেতনে ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের জন্য ‘অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনে সফটওয়্যারের ব্যবহারবিধি’ শীর্ষক ১০ দিনব্যাপী আবাসিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, অনলাইনে বিবাহ নিবন্ধনের তথ্য পর্যায়ক্রমে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন ও পাসপোর্টের কেন্দ্রীয় সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।

তিনি বলেন, অনলাইনে বিবাহ ও তালাকের তথ্য সংরক্ষিত থাকলে কোনো ব্যক্তি আগে কোথাও বিয়ে করেছেন কি না, তা যাচাই করা সম্ভব হবে। কেউ এক জায়গায় বিয়ে করার পর তথ্য গোপন করে অন্যত্র বিয়ে করতে গেলে অনলাইনে তার আগের বিবাহের তথ্য দেখা যাবে। এতে পূর্ববর্তী স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে নিবন্ধনের বিষয়টিও যাচাই করা সম্ভব হবে।

আসাদুজ্জামান বলেন, অনলাইনে বিবাহ নিবন্ধনের তথ্য ব্যবহারের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ প্রতিরোধেও সহায়তা পাওয়া যাবে। জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন ও পাসপোর্টের তথ্যের সঙ্গে বিবাহ নিবন্ধনের তথ্য যুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বৈবাহিক অবস্থা যাচাই করা সহজ হবে।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার স্ত্রী বা সন্তানদের পক্ষ থেকে একাধিক দাবি উঠলেও নিবন্ধিত বিবাহের তথ্যের মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা সম্ভব হবে। এতে এ ধরনের দাবি নিয়ে মামলা-মোকদ্দমার সুযোগ কমবে এবং রাষ্ট্রের ওপরও অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হবে না।

বিদেশে থাকা বা বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও অনলাইনে সংরক্ষিত বিবাহ নিবন্ধনের তথ্য কাজে লাগবে বলে জানান আইনমন্ত্রী। কোনো ব্যক্তি বিদেশে গিয়ে তার স্ত্রীকে সঙ্গে নিতে চাইলে সংশ্লিষ্ট দেশ থেকেও অনলাইনে বিবাহের তথ্য যাচাই করা সম্ভব হবে।

এদিকে, ঢাকার সাব-রেজিস্ট্রারদের দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শিগগিরই লটারির মাধ্যমে পদায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ঢাকা শহরের সাব-রেজিস্ট্রাররা দীর্ঘদিন একই জায়গায় থাকায় বদলির ক্ষেত্রে বিভিন্ন দিক থেকে তদবির আসে। এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে ঢাকা শহরের মধ্যে সাব-রেজিস্ট্রারদের পদায়ন লটারির আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নিয়মনীতি মেনে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

প্রেমের টানে ঠাকুরগাঁওয়ে চীনা যুবক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রেমের টানে ঠাকুরগাঁওয়ে চীনা যুবক

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়। এরপর গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। সেই সম্পর্কের পরিণতি হিসেবে প্রেমিকাকে বিয়ে করতে সুদূর চীন থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে এসেছেন এক যুবক। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও চাঞ্চল্য।

চীনা ওই যুবকের নাম শিওং ঝেনতিং। তিনি চীনের শিনজিয়াংয়ের আলার শহরের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হরিপুর উপজেলার বীরগড় গ্রামের আবুল কালামের মেয়ে নাসিমা আক্তার ঢাকার একটি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ফেসবুকের মাধ্যমে চীনা যুবক শিওং ঝেনতিংয়ের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

সেই সম্পর্কের পরিণতি হিসেবে নাসিমা আক্তারকে বিয়ে করতে গত ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসেন শিওং ঝেনতিং। এরপর থেকে তিনি নাসিমার বাড়িতে অবস্থান করছেন।

চীনা যুবকের বাংলাদেশে আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে তাকে দেখার আগ্রহ তৈরি হয়। তবে নাসিমা ও শিওং ঝেনতিংয়ের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মী কিংবা স্থানীয়দের কথা বলতে দিচ্ছেন না পরিবারের সদস্যরা।

নাসিমার মা-বাবা বলেন, ‘ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করলে মেয়ে ও চীনা ছেলের সম্মান নষ্ট হতে পারে। তাই আমরা কাউকে তাদের সঙ্গে কথা বলতে দিচ্ছি না।’

পরিবারের এমন অবস্থানের কারণে গণমাধ্যমকর্মীরা চীনা যুবক ও নাসিমার সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারেননি।

এ বিষয়ে হরিপুর থানার ওসি আব্দুল হাকিম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক যোগফল. কম 

গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৪ হাজার ২২৮

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৪ হাজার ২২৮

যোগফল প্রতিবেদক: 

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৪ হাজার ২২৮ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৮৮ জন। শনিবার (৩ অক্টোবর) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজার বিভিন্ন হাসপাতালে আরও সাতজনের মরদেহ পৌঁছেছে। নিহতদের মধ্যে দুজন আগে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এবং একজনের মরদেহ ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে আহত হয়েছেন ২০ জন।

মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪৪৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫ হাজার ৫২ জন আহত হয়েছেন। এ সময়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে ৮৩৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে, গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া শতাধিক মরদেহের একসঙ্গে দাফন করা হয়েছে। ২০২৩ সালে ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হওয়া একটি আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা ১০৫টি মরদেহ নিয়ে স্বজনরা গণজানাজা ও দাফন সম্পন্ন করেন। এ ঘটনার ছবি ও তথ্যও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

মেনোপজের পর রক্তপাত হতে পারে জরায়ুর ক্যানসারের লক্ষণ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মেনোপজের পর রক্তপাত হতে পারে জরায়ুর ক্যানসারের লক্ষণ

যোগফল প্রতিবেদক: 

মেনোপজের পর যেকোনো ধরনের রক্তপাতকে স্বাভাবিক হিসেবে না দেখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এটি জরায়ুর ভেতরের আবরণে হওয়া এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারের গুরুত্বপূর্ণ সতর্কসংকেত হতে পারে।

এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসার জরায়ুর ভেতরের আবরণে শুরু হয়। উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে নারীদের মধ্যে এটি সবচেয়ে বেশি দেখা গাইনোকলজিক্যাল ক্যানসারগুলোর একটি। বিশ্বজুড়ে এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে।

গ্লোবোক্যান ২০২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বে ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৬২০ জন নতুন করে এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন। এ রোগে মারা গেছেন ১ লাখ ৬৮০ জন। সব ধরনের ক্যানসারের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যার হিসাবে এটি ১৬তম অবস্থানে রয়েছে।

ভারতে ২০২৪ সালে এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ হাজার ৩০৮ জন এবং মারা গেছেন ৬ হাজার ৩৬২ জন।

যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন

এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো অস্বাভাবিক জরায়ু রক্তপাত। বিশেষ করে মেনোপজের পর যেকোনো ধরনের রক্তপাত দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

মেনোপজের আগে অনিয়মিত বা স্বাভাবিকের তুলনায় অতিরিক্ত রক্তপাতও এ রোগের লক্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া পানির মতো বা রক্তমিশ্রিত যোনিপথের স্রাব, তলপেটে ব্যথা বা চাপ অনুভূত হওয়া, অকারণে ওজন কমে যাওয়া, পেট ফাঁপা এবং দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তিও দেখা দিতে পারে।

যেসব কারণে ঝুঁকি বাড়ে

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থূলতা, ডায়াবেটিস, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধির কারণে এ রোগের প্রকোপ বাড়ছে।

স্থূলতা, কখনো গর্ভধারণ না হওয়া, অল্প বয়সে মাসিক শুরু হওয়া, দেরিতে মেনোপজ হওয়া, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস), শুধু ইস্ট্রোজেনযুক্ত হরমোন থেরাপি এবং ট্যামোক্সিফেন ব্যবহারের সঙ্গে এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ার সম্পর্ক রয়েছে।

টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপও ঝুঁকি বাড়াতে পারে। অন্যদিকে নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এবং কিছু ধরনের মুখে খাওয়ার গর্ভনিরোধক ব্যবহারের সঙ্গে তুলনামূলক কম ঝুঁকির সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

জেনেটিক কারণও রয়েছে

এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারের ক্ষেত্রে বংশগত কারণও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে লিঞ্চ সিনড্রোম থাকলে এ রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে।

লিঞ্চ সিনড্রোম ডিএনএ মেরামতের সঙ্গে জড়িত কিছু জিনের পরিবর্তনের কারণে হওয়া একটি বংশগত রোগ। এ সিনড্রোমে আক্রান্ত নারীদের জীবদ্দশায় এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারের ঝুঁকি ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।

যেভাবে শনাক্ত করা হয়

অস্বাভাবিক রক্তপাতের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে সাধারণত সেখান থেকেই রোগ নির্ণয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসায় ভালো ফল পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

সাধারণত ট্রান্সভ্যাজাইনাল আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে পরীক্ষা শুরু করা হয়। প্রয়োজন হলে এন্ডোমেট্রিয়াল বায়োপসি করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে হিস্টেরোস্কপি বা ডাইলেশন অ্যান্ড কিউরেটাজের মাধ্যমে নমুনা সংগ্রহ করা হতে পারে।

ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার পর টিউমারের গ্রেড, গঠনগত বৈশিষ্ট্য ও মলিকিউলার ধরন নির্ধারণ করা হয়। টিউমার জরায়ুর দেয়ালে কতটা ছড়িয়েছে তা জানতে পেলভিক এমআরআই এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সিটি স্ক্যান করা হতে পারে।

চিকিৎসা কী

এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারের চিকিৎসা রোগের ধরন ও পর্যায়ের ওপর নির্ভর করে। সাধারণত অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জরায়ু অপসারণের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্যালোপিয়ান টিউব, ডিম্বাশয় ও লিম্ফ নোড পরীক্ষা বা অপসারণ করা হয়।

প্রাথমিক পর্যায়ের কম ঝুঁকির ক্যানসারে অনেক ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারই যথেষ্ট হতে পারে। তবে রোগের ঝুঁকি বা পর্যায় অনুযায়ী রেডিওথেরাপি, কেমোথেরাপি এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ইমিউনোথেরাপির প্রয়োজন হতে পারে।

তাই মেনোপজের পর রক্তপাত হলে তা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। দ্রুত শনাক্তকরণ এ রোগের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম